অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের পূর্বাভাস

আগামী বছর জিসিসি অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৪%

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী বছরও গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল-ভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকবে।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী বছরও গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল-ভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকবে। এতে প্রভাবকের ভূমিকায় থাকবে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও তুলনামূলক স্থিতিশীল বৈশ্বিক অর্থনীতি। ২০২৬ সালে অঞ্চলটিতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া চলতি বছর প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৪ শতাংশে সীমিত থাকবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। খবর আরব নিউজ।

সর্বশেষ এ পূর্বাভাস কয়েক দিন আগে দেয়া বিশ্বব্যাংকের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে প্রায় সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুসারে, ২০২৫ সালে জিসিসি অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ২ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৪ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছাবে। এছাড়া মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে, চলতি বছর জিসিসি অঞ্চলের অর্থনীতি গড়ে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হারে সম্প্রসারণ হবে, যা ২০২৪ সালের ১ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকস বলেছে, গত দুই বছরে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর চলতি বছর জিসিসির প্রবৃদ্ধি আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতি আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব ফেলেনি এবং জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতগুলো জিসিসির শক্তিশালী গতি ধরে রেখেছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল উত্তোলন ধীরে ধীরে বাড়ছে, যা জিসিসি অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

গত মাসে জিসিসি স্ট্যাটিস্টিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতের সম্প্রসারণের ফলে ২০২৭ সালের মধ্যে এ অঞ্চলের জিডিপি ৪ দশমিক ৩ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

পরিসংখ্যান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) অঞ্চলটির অর্থনীতি ৩ শতাংশ বেড়েছে। ওই সময় সম্মিলিত জিডিপি দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৮১০ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ের ৫৭ হাজার ৯০ কোটি ডলারের তুলনায় বেশি।

চলতি বছর জিসিসি অঞ্চলের জিডিপিতে ৭৩ দশমিক ২ শতাংশ ভূমিকা রেখেছে জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাত, ২০২৪ সালের শেষে এ হার ছিল ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ।

আরও